শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা: আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে পার্বত্য মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নে একসাথে কাজের প্রত্যয়
আবদুল হাই খোকন: পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও রাজনৈতিক সম্প্রীতির প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ এক বার্তা দিয়েছে শীর্ষ দুই নেতার সাম্প্রতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ-এর মাননীয় চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)-এর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি সঞ্চার এবং সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উভয় নেতা পার্বত্য জনপদের সার্বিক অগ্রগতির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সংলাপের বিকল্প নেই। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার। তিনি পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সৌজন্য সাক্ষাৎ কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং পার্বত্য চট্টগ্রামে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি, পারস্পরিক সম্মান ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এমন উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও উন্নয়নের পথে নতুন আশার সঞ্চার হবে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও উন্নয়ন ও জনস্বার্থের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়া বর্তমান সময়ের দাবি। এ ধরনের উদ্যোগ পার্বত্য চট্টগ্রামে আস্থার পরিবেশ জোরদার করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ জনপদ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।