চট্টগ্রামে ‘ভয়েস হান্ট’ শুরু, পরের ধাপে ৪২ প্রতিযোগী
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামে নতুন কণ্ঠশিল্পী খুঁজে বের করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম যন্ত্রশিল্পী সংস্থার ‘ভয়েস হান্ট সিজন-৩’। উদ্বোধনী পর্বে শতাধিক প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে দিনভর অনুষ্ঠিত অডিশন শেষে কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ায় ৪২ জন প্রতিযোগী ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়ে পরবর্তী ধাপে জায়গা করে নিয়েছেন।
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বাংলা আধুনিক, লোকসংগীত, আঞ্চলিক গানসহ বিভিন্ন ধারার পরিবেশনায় মুখর ছিল পুরো আয়োজন। বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রতিযোগীদের হাতে ‘ইয়েস কার্ড’ তুলে দেন ‘ফেমিনা’ গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী উজ্জ্বল চক্রবর্তী।
প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক এস. এম. শাজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সংকলন বড়ুয়া ও সদস্যসচিব রুবেল বড়ুয়া।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম যন্ত্রশিল্পী সংস্থার সভাপতি হিল্লোল রায়, বিচারক লিটন মিত্র, সাবেক সভাপতি লায়ন প্রবীর দত্ত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অসীম চন্দ বাপ্পি এবং সংগঠনের সদস্য ও কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত।
বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের শিল্পী জগলুল পাশাসহ অভিজ্ঞ সংগীতশিল্পীরা। যন্ত্রসংগীতে সহযোগিতা করেন একদল দক্ষ সংগীতশিল্পী, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
আয়োজকদের ভাষ্য, এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য শুধু সেরা কণ্ঠ নির্বাচন নয়; বরং সম্ভাবনাময় শিল্পীদের খুঁজে বের করে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও গ্রুমিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ের সংগীতশিল্পী হিসেবে গড়ে তোলা।
আহ্বায়ক এস. এম. শাজাহান, সভাপতি হিল্লোল রায়, সাধারণ সম্পাদক সংকলন বড়ুয়া এবং সদস্যসচিব রুবেল বড়ুয়া বলেন, প্রতিভাবান নতুন শিল্পীদের জন্য একটি পেশাদার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এই আয়োজন থেকে ভবিষ্যতে দেশের সংগীতাঙ্গনে নতুন প্রজন্মের অনেক জনপ্রিয় শিল্পী উঠে আসবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রথম ধাপে উত্তীর্ণ প্রতিযোগীরা বলেন, এমন সুসংগঠিত আয়োজন তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। অভিজ্ঞ বিচারকদের মূল্যায়ন ও পরামর্শ ভবিষ্যতে নিজেদের আরও দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে তারা মনে করেন।