কাপ্তাইয়ে প্রযুক্তির সনদ হাতে ৪০ তরুণ, কর্মসংস্থানের স্বপ্ন
ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার ভ্যানে দুই মাসের প্রশিক্ষণ শেষে যুবক–যুবতীদের হাতে সনদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার ভ্যানে দুই মাসব্যাপী কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণ শেষে সনদ পেয়েছেন ৪০ জন যুবক-যুবতী। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীলতার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ হলরুম (কিন্নরী)-তে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের টেকাব-২য় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয় আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।
‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডার প্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ (টেকাব-২য় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এ প্রশিক্ষণে ২০ জন যুবক ও ২০ জন যুবতী অংশ নিয়ে সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন।
প্রধান অতিথি মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষতা বর্তমান সময়ে চাকরির পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি করছে। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তরুণদের নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথি দিলদার হোসেন বলেন, দক্ষতা অর্জনই যুবসমাজের ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম চাবিকাঠি। প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তরুণরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন।
কাপ্তাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. কবির হোসেন বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার তরুণদের দোরগোড়ায় প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন বলেন, যুবকদের দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, যুব উন্নয়ন সহকারী কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম, কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হাছান বাবুসহ গণমাধ্যমকর্মী ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে অতিথিরা প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী ৪০ জন যুবক-যুবতীর হাতে সনদপত্র তুলে দেন। প্রশিক্ষনার্থীদের পক্ষে দুইজন তাঁদের দুই মাসের প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীলতার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।