চন্দ্রঘোনা থানা এবং কেপিএম পরিদর্শনে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী
ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদার ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির অংশ হিসেবে চন্দ্রঘোনা থানা এবং কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম) পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসক প্রথমে চন্দ্রঘোনা থানা পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি থানায় প্রবেশের সড়ক সংস্কার কাজ ঘুরে দেখেন এবং চন্দ্রঘোনা থানার ঐতিহ্যবাহী ফলক উন্মোচন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রম, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সেবার মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. এনামুল হক হাজারী, রাজস্থলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল আমিন, চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ এম. সাকের আহমেদ, কাপ্তাই উপজেলা হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি থোয়াই অং মারমা এবং রাইখালী মৌজার হেডম্যান উসুই সুই চৌধুরী মিশুকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
চন্দ্রঘোনা থানা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক রাইখালী কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হন।
পরে একই দিনে তিনি কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম)-এর গেস্ট হাউজে মিলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় কেপিএম-এর সার্বিক কার্যক্রম, উৎপাদন পরিস্থিতি, বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কেপিএম-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন, মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) আব্দুল্লাহ আল মামুন, উৎপাদন বিভাগের প্রধান মইদুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (এমটিএস) প্রকৌশলী আবুল কাশেম রনি এবং কাপ্তাই থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেলসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ।
পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক কেপিএম-এর বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন এবং উৎপাদন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি কারখানার বিদ্যমান সমস্যা সমাধান এবং নতুন কারখানা স্থাপনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
জেলা প্রশাসকের এ পরিদর্শন স্থানীয় প্রশাসন ও শিল্পখাতে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।